ইউপি চেয়ারম্যানদের ন্যূনতম যোগ্যতা কেন স্নাতক নয়, জানতে চাইলেন হাইকোর্ট
মেহেদী হাসান, শৈলকুপা উপজেলা প্রতিনিধি
ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনের জন্য শিক্ষাগত যোগ্যতা কমপক্ষে স্নাতক (গ্র্যাজুয়েট) নিশ্চিত করতে এবং ইউনিয়ন পরিষদ আইনের ২৬ ধারা কেন সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।
বিচারপতি আহমেদ সোহেল ও বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ারের হাইকোর্ট বেঞ্চ। সুপ্রিম কোর্টের দুই আইনজীবী—কাজী ফেরদাউসুল হাসানও মো. তানভীর আহমেদ খান—এই রিট দায়ের করেন। এলজিআরডি সচিব, আইন সচিব ও প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে রুলে জবাব দিতে বলা হয়েছে।রুলের জবাব দেওয়ার জন্য চার সপ্তাহ সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে।
রিটকারী আইনজীবীদের মতে, একজন ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান গ্রাম আদালত পরিচালনাসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক ও বিচারিক দায়িত্ব পালন করেন, যেখানে তিনি ৩ লাখ টাকা পর্যন্ত মূল্যমানের দেওয়ানি ও ফৌজদারি মামলা নিষ্পত্তি করতে পারেন। অথচ সমমানের বিচারিক ক্ষমতা প্রয়োগকারী একজন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে আইন বিষয়ে স্নাতক পাসের পাশাপাশি অত্যন্ত প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা (বিজেএসসি) উত্তীর্ণ হতে হয়।
বর্তমান স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন, ২০০৯-এর ২৬ ধারা অনুযায়ী চেয়ারম্যান পদপ্রার্থীর জন্য ন্যূনতম কোনো শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণ করা নেই, যা রিট আবেদনকারীদের দাবি অনুযায়ী সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক এবং চেয়ারম্যানদের দায়িত্বের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ।

Leave a Reply