[gtranslate]
Dhaka 10:34 pm, Saturday, 1 August 2026
[gtranslate]
শিরোনামঃ
শৈলকুপায় মাদকের ছড়াছড়ি: তৎপর পুলিশ, কিন্তু কোথায় মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর? মধ্যরাতে কবরস্থানের সামনে মাদকবিরোধী অভিযান: শৈলকুপায় ইয়াবাসহ ৩ যুবক গ্রেফতার শৈলকুপায় ফ্যামিলি কার্ড শুমারির আবেদন জমায় উপচে পড়া ভিড় শৈলকুপায় কুমার নদে মৎস্য বিভাগের অভিযান: বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ চায়না জাল উদ্ধার ও ধ্বংস ইউপি চেয়ারম্যানদের ন্যূনতম যোগ্যতা কেন স্নাতক নয়, জানতে চাইলেন হাইকোর্ট মাননীয় আইন মন্ত্রী মহোদয়ের শ্রদ্ধেয় মাতা বেগম রোকেয়া-র দ্রুত আরোগ্য কামনা করছি শৈলকুপায় পুলিশের বিশেষ অভিযান: মনোহরপুর ইউনিয়ন থেকে বিপুল দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার বীর শহীদ সাব্বির হোসেনের দ্বিতীয় শাহাদাত বার্ষিকীতে শৈলকুপা উপজেলা বিএনপির গভীর শ্রদ্ধা ও দোয়া মাহফিল শৈলকুপায় পুলিশের অভিযান: ঢাল-রামদাসহ বিপুল দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার বানুগঞ্জ বাজারে ৩০ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি আটক

শৈলকুপায় মাদকের ছড়াছড়ি: তৎপর পুলিশ, কিন্তু কোথায় মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর?

শৈলকুপায় মাদকের ছড়াছড়ি: তৎপর পুলিশ, কিন্তু কোথায় মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর?

শৈলকুপা (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি:

ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলাজুড়ে মাদকের ভয়াবহ বিস্তার ঘটেছে। শহর থেকে শুরু করে গ্রামের অলিগলি—সবখানেই ছড়িয়ে পড়েছে মরণনেশা মাদক। এই মাদক কারবারিদের দমনে শৈলকুপা থানা পুলিশ প্রায় প্রতিদিনই চিরুনি অভিযান পরিচালনা করছে এবং হাতেনাতে মাদকসহ অপরাধীদের গ্রেপ্তার করছে। তবে পুলিশের এই ধারাবাহিক তৎপরতার মাঝেও জেলা মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের দৃশ্যমান কোনো ভূমিকা না থাকায় স্থানীয় জনমনে চরম ক্ষোভ ও নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শৈলকুপার বিভিন্ন পাড়া-মহল্লা ও প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলে মাদকের সিন্ডিকেট ক্রমেই শক্তিশালী হয়ে উঠছে। যুবসমাজকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করতে থানা পুলিশ তাদের সীমিত জনবল নিয়ে রাত-দিন অভিযান চালাচ্ছে। প্রায় প্রতিদিনই উপজেলার কোথাও না কোথাও থেকে ইয়াবা, গাঁজা ও অন্যান্য মাদকসহ কারবারিরা ধরা পড়ছে। পুলিশের এই সাহসী ভূমিকাকে সর্বস্তরের মানুষ সাধুবাদ জানালেও হতাশা প্রকাশ করেছেন মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের নিষ্ক্রিয়তা নিয়ে।
ঝিনাইদহ জেলা সদরে ‘মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর’ (ডিএনসি)-এর একটি পূর্ণাঙ্গ কার্যালয় ও জনবল থাকা সত্ত্বেও শৈলকুপার এই ভয়াবহ পরিস্থিতিতে তাদের কোনো উল্লেখযোগ্য ভূমিকা বা বিশেষ অভিযান চোখে পড়ছে না। মাঠপর্যায়ে তাদের এই নীরবতা ও নিষ্ক্রিয়তায় ক্ষুব্ধ স্থানীয় বাসিন্দারা। সচেতন মহলের অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন—”জেলায় মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর থাকতেও যদি পুলিশকেই সব করতে হয়, তবে এই দপ্তরের মূল কাজ কী?”
এলাকাবাসীর দাবি, শুধু পুলিশের ওপর নির্ভর না করে জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরকেও অবিলম্বে শৈলকুপার অলিগলিতে সাঁড়াশি অভিযান শুরু করতে হবে। অন্যথায়, যুবসমাজকে মাদকের এই মরণছোবল থেকে রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়বে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

শৈলকুপায় মাদকের ছড়াছড়ি: তৎপর পুলিশ, কিন্তু কোথায় মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর?

শৈলকুপায় মাদকের ছড়াছড়ি: তৎপর পুলিশ, কিন্তু কোথায় মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর?

Update Time : 08:22:00 pm, Saturday, 1 August 2026

শৈলকুপায় মাদকের ছড়াছড়ি: তৎপর পুলিশ, কিন্তু কোথায় মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর?

শৈলকুপা (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি:

ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলাজুড়ে মাদকের ভয়াবহ বিস্তার ঘটেছে। শহর থেকে শুরু করে গ্রামের অলিগলি—সবখানেই ছড়িয়ে পড়েছে মরণনেশা মাদক। এই মাদক কারবারিদের দমনে শৈলকুপা থানা পুলিশ প্রায় প্রতিদিনই চিরুনি অভিযান পরিচালনা করছে এবং হাতেনাতে মাদকসহ অপরাধীদের গ্রেপ্তার করছে। তবে পুলিশের এই ধারাবাহিক তৎপরতার মাঝেও জেলা মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের দৃশ্যমান কোনো ভূমিকা না থাকায় স্থানীয় জনমনে চরম ক্ষোভ ও নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শৈলকুপার বিভিন্ন পাড়া-মহল্লা ও প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলে মাদকের সিন্ডিকেট ক্রমেই শক্তিশালী হয়ে উঠছে। যুবসমাজকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করতে থানা পুলিশ তাদের সীমিত জনবল নিয়ে রাত-দিন অভিযান চালাচ্ছে। প্রায় প্রতিদিনই উপজেলার কোথাও না কোথাও থেকে ইয়াবা, গাঁজা ও অন্যান্য মাদকসহ কারবারিরা ধরা পড়ছে। পুলিশের এই সাহসী ভূমিকাকে সর্বস্তরের মানুষ সাধুবাদ জানালেও হতাশা প্রকাশ করেছেন মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের নিষ্ক্রিয়তা নিয়ে।
ঝিনাইদহ জেলা সদরে ‘মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর’ (ডিএনসি)-এর একটি পূর্ণাঙ্গ কার্যালয় ও জনবল থাকা সত্ত্বেও শৈলকুপার এই ভয়াবহ পরিস্থিতিতে তাদের কোনো উল্লেখযোগ্য ভূমিকা বা বিশেষ অভিযান চোখে পড়ছে না। মাঠপর্যায়ে তাদের এই নীরবতা ও নিষ্ক্রিয়তায় ক্ষুব্ধ স্থানীয় বাসিন্দারা। সচেতন মহলের অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন—”জেলায় মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর থাকতেও যদি পুলিশকেই সব করতে হয়, তবে এই দপ্তরের মূল কাজ কী?”
এলাকাবাসীর দাবি, শুধু পুলিশের ওপর নির্ভর না করে জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরকেও অবিলম্বে শৈলকুপার অলিগলিতে সাঁড়াশি অভিযান শুরু করতে হবে। অন্যথায়, যুবসমাজকে মাদকের এই মরণছোবল থেকে রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়বে।