
জ্বালানি সংকটে হাহাকার: হুমকির মুখে কৃষি ও কৃষক
নিজস্ব প্রতিবেদক:
শৈলকুপার প্রত্যন্ত অঞ্চলের কৃষি এখন এক চরম সংকটকাল পার করছে। যত্রতত্র ডিজেল না পাওয়া তীব্র সংকটে সেচ কাজ ব্যাহত হওয়ায় ফেটে চৌচির হচ্ছে ফসলের মাঠ। ঘণ্টার পর ঘণ্টা পথ পাড়ি দিয়েও মিলছে না পর্যাপ্ত জ্বালানি, যা সাধারণ কৃষকের মেরুদণ্ড ভেঙে দিচ্ছে।
কৃষকদের অভিযোগ, গ্রাম থেকে ২-৩ ঘণ্টা পথ পাড়ি দিয়ে পাম্পে গিয়েও মিলছে না কাঙ্ক্ষিত ডিজেল। দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে মিলছে মাত্র ৪-৫শ টাকার তেল, যা দিয়ে এক বেলার সেচ কাজও সম্পন্ন হয় না। এতে যেমন সময় নষ্ট হচ্ছে, তেমনি যাতায়াত খরচ বেড়ে চাষাবাদ হয়ে পড়ছে আকাশচুম্বী।
একটা সময় স্থানীয় ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে কৃষক ধারে ডিজেল নিতে পারতেন এবং ফসল কাটার পর টাকা পরিশোধ করতেন। কিন্তু বর্তমান অস্থিতিশীল বাজারে ব্যবসায়ীরা আর সেই সুবিধা দিচ্ছেন না। নগদ টাকার অভাবে অনেক ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষক এখন চাষাবাদ ছেড়ে দেওয়ার কথা ভাবছেন।
পানির অভাবে জমি ফেটে যাওয়ায় আবাদি জমির পরিমাণ কমে যাচ্ছে। মাঠ পর্যায়ের কৃষকরা বলছেন, দ্রুত এই জ্বালানী তেলের সমাধান না হলে তারা আরও দরিদ্রসীমার নিচে চলে যাবেন, যার নেতিবাচক প্রভাব পড়বে দেশের সামগ্রিক খাদ্য সরবরাহে।
সরকারের কাছে প্রান্তিক কৃষকদের আকুল আবেদন—ডিলারের মাধ্যমে গ্রামে গ্রামে ডিজেল সরবরাহ নিশ্চিত করে কৃষি ও কৃষককে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করা হোক।
নিজস্ব প্রতিবেদক 








