[gtranslate]
Dhaka 2:22 pm, Tuesday, 21 April 2026
[gtranslate]
শিরোনামঃ
রান্নার খরচে বড় ধাক্কা: এলপিজির দাম এখন ১৯৪০ টাকা ব্রেকিং :অবশেষে তেলের দাম বাড়ল: অকটেন – ১৪০ ডিজেল – ১১৫ পেট্রোল – ১৩৫ শৈলকুপায় ট্রাকের চাপায় সাবেক কমিশনার সাইফুলের  অবস্থা আশঙ্কাজনক, ঢাকায় স্থানান্তর লোডশেডিংয়ের কবলে শৈলকুপা: ২ মেগাওয়াটের ঘাটতি মেটাতেই কাটছে সময় জ্বালানি সাশ্রয়ে সরকারি সভা-সেমিনারে ভার্চুয়াল অংশগ্রহণের নতুন নির্দেশনা ছেঁড়া-ফাটা ও ময়লা নোট নিতে বাধ্য সব ব্যাংক: বাংলাদেশ ব্যাংকের কঠোর হুঁশিয়ারি জনদুর্ভোগ নিরসনে যুগ্ম সচিব গিয়াস উদ্দিনের উপহার: শহীদ নগর দক্ষিণ পাড়ায় তৈরি হচ্ছে কাঠের সেতু  অডিও কেলেঙ্কারির জেরে পতন: ঝিনাইদহের ডিসি মাসউদ বদলি, স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন নোমান হোসেন শৈলকুপায় সন্ধ্যার পর নিস্তব্ধ ব্যবসায়িক পাড়া: ৭টার মধ্যেই বন্ধ হয়েছে দোকানের ঝাঁপ পুলিশের জালে মাদক কারবারি: শৈলকুপায় ৪০ পিস ইয়াবাসহ রয়েল আটক

লোডশেডিংয়ের কবলে শৈলকুপা: ২ মেগাওয়াটের ঘাটতি মেটাতেই কাটছে সময়

72

লোডশেডিংয়ের কবলে শৈলকুপা: ২ মেগাওয়াটের ঘাটতি মেটাতেই কাটছে সময়

নিজস্ব প্রতিবেদক:

শৈলকুপায় বিদ্যুৎ যেন এখন ‘আসা-যাওয়ার’ খেলা। ওজোপাডিকোর দেওয়া তথ্যমতে, এলাকায় বিদ্যুতের যে চাহিদা, তার বড় একটি অংশই অপূরণীয় থেকে যাচ্ছে। ৫.৫ মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে গড়ে সরবরাহ মিলছে ৪ মেগাওয়াটেরও কম।

ইঞ্জিনিয়ার মোঃ রুহুল আমিন (আবাসিক প্রকৌশলী) জানান, এই ২ মেগাওয়াট ঘাটতির কারণে রেশনিং করে বিদ্যুৎ বণ্টন করতে হচ্ছে। দীর্ঘসময় বিদ্যুৎ না থাকায় সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন শিক্ষার্থী ও ব্যবসায়ীরা।এই বিশাল ঘাটতিই মূলত জনজীবনকে বিপর্যস্ত করে তুলেছে। দ্রুত এই পরিস্থিতির উন্নতি না হলে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি আরও বাড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

রান্নার খরচে বড় ধাক্কা: এলপিজির দাম এখন ১৯৪০ টাকা

লোডশেডিংয়ের কবলে শৈলকুপা: ২ মেগাওয়াটের ঘাটতি মেটাতেই কাটছে সময়

Update Time : 05:59:29 pm, Thursday, 16 April 2026
72

লোডশেডিংয়ের কবলে শৈলকুপা: ২ মেগাওয়াটের ঘাটতি মেটাতেই কাটছে সময়

নিজস্ব প্রতিবেদক:

শৈলকুপায় বিদ্যুৎ যেন এখন ‘আসা-যাওয়ার’ খেলা। ওজোপাডিকোর দেওয়া তথ্যমতে, এলাকায় বিদ্যুতের যে চাহিদা, তার বড় একটি অংশই অপূরণীয় থেকে যাচ্ছে। ৫.৫ মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে গড়ে সরবরাহ মিলছে ৪ মেগাওয়াটেরও কম।

ইঞ্জিনিয়ার মোঃ রুহুল আমিন (আবাসিক প্রকৌশলী) জানান, এই ২ মেগাওয়াট ঘাটতির কারণে রেশনিং করে বিদ্যুৎ বণ্টন করতে হচ্ছে। দীর্ঘসময় বিদ্যুৎ না থাকায় সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন শিক্ষার্থী ও ব্যবসায়ীরা।এই বিশাল ঘাটতিই মূলত জনজীবনকে বিপর্যস্ত করে তুলেছে। দ্রুত এই পরিস্থিতির উন্নতি না হলে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি আরও বাড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।